আমার পারিবারিক পাপ ১

আমি নিপুন। আমার বয়স যখন ১০ বছর তখন প্রথম পর্ন দেখি। আমার বড় ভাই এলাকায় রাজনীতি করতো। সবাই বেশ ভয় পেত ভাইকে।

তো একদিন রাতে দেখি ভাই খুব মাতাল ভাবে বাসায় আসলো। বাসায় মা বাবা কেউ ছিলোনা তাই কেউ কিছু বলতেও পারলোনা। ভাই সোজা বিছানায় গিয়ে পড়লো। মাতাল হওয়াতে জামা জুতাও খুললোনা। আমি পোর্টেসিলম।

হটাৎ দেখি ভাই বলতেসে উফফ কিযে দিলাম না মামা । এই শুনে আমি বুঝলাম না কিছুই। আমার একটা অভ্যাস ছিল ভাই এর মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকা ভাই ও কিছু বলতনা। তো আমি পড়া শেষ করে ভাই এর মোবাইল হাতে নিয়েছি। এই সেই করতে করতে গ্যালারিতে ঢুকলাম। দেখি নতুন কিছু ভিডিও।

অগ্রহবশত ভিডিও ওপেন করলাম
। যেন করেই সাথে সাথে বন্ধ করে দিলাম ভয় পেয়ে। কারণ একই সাথে একটা নগ্ন মেয়ে আর জোরে চিৎকার শুনে ভয় পেয়ে গেছি।

আর তাছাড়া তখনও আমার হরমোন কিক করেনি।
সাহস আর কৌতুহল এ আবার খুললাম ভিডিও এইবার সাউন্ড আস্তে করে। দেখি একটা মেয়ে জামা কাপড় খুলে শুয়ে আছে। আর একটা ছেলে মেয়েটার পা এর কাছে শুয়ে জোরে জোরে মেয়েটার শরীরে ধাক্কা দিচ্ছে। আর মেয়েটা প্লিজ ছেড়ে দেয় আমাকে। আমাকে ছেড়ে দেও বলতেসে। কিছুলখন পর দেখি আরেকটা ছেলে এসে মেয়েটার মুখে নিজের নুনু টা ঢুকে দিলো। ( তখনও বাড়া শব্দ তা জানতাম নাহ )

এইবার পায়ের কাছের ছেলেটা সরে গেল গেল আর আরেকটা ছেলে আসলো। ছেলেটা এসে বললো মাগীকে ধর ভালো করে। ওরে রামচোদা দিমু আজকে। কথা শুনেই আমি ভালো করে তাকালাম ভিডিও টি আর অবাক হয়ে গেলাম নিজের ভাই কে দেখে । ভাই মেয়েটার পায়ের কাছে বসে নিজের নুনুটা বের করলো। ভাই এর নুনুটা দেখি বিশাল বড়। আমাদের রুটি বানানোর বেলন এর মত মোটা আর লম্বা।

ভাই মেয়েটার বুকের দুধ গুলো ধরে খুব জোরে জোরে ধাক্কাতে লাগলো মেয়েটার নুনুর কাছে। হটাৎ খেয়াল করলাম প্যান্ট এ টান লাগতেসে আর আমার নুনুটা বেথা করতেসে।

আরো খবর  দেওর-বৌদির কামলীলা – পর্ব ১

তাকিয়ে দেখি আমার ছোট নুনুটা শক্ত আর বড় হয়ে গেসে। আমি নিজের এই শান্ত আর নেতাই থাকা নুনুটার এই হল দেখে নিজের মধ্যে কেমন জানি একটা উত্তেজনা বোধ করলাম। মনে হলো নুনুটা ধরি। নুনুতে হাত দিতেই কেমন একটা আরাম লাগলো। বুঝলাম না কেন হচ্ছে। নুনুর মাথায় হাত দিলেই পুরো শরীর তা কেঁপে কেঁপে উঠতেসে। আমি নুনুর মাথায় আঙ্গুল বুলাতে লাগলাম আর ভিডিও টি চোখ রাখলাম দেখি ভাইয়া উপর হয়ে শুয়ে মেয়েটার দুধগুলো কামড়াচ্ছে আর ধাক্কা দিচ্ছে নীচে। এভাবে কিছুক্ষন গেল।

হটাৎ কিছুক্ষন ভাইয়া ধর মাগী ধর ধর আমার মাল ধর বলে উঠলো আর সরে গেল। এই কথা শুনে আর ভাই এর জোরে আহহহহহহ করে একটা চিৎকার শুনে কি হলো বুঝলাম না আমার নুনুটা হটাৎ খুব ফুলে উঠলো আর মাথা দিয়ে জোরে একটা সাদা কিছু বের হোলো। বের হওয়ার সময় আমার চোখ বন্ধ হয়ে গেল আরামে

এভাবে এমডির পাড়ার আকাশ ভাই শিমুল ভাই নন্দন ভাই সবাইকে দেখলাম ।
প্রায় 1 ঘন্টা পর মেয়েটাকে রেহাই দিলো। তখন বুঝিনি যে আসলে ভিডিওটা জোর করে করা হচ্ছে আর গ্যাংবাং ছিল

হটাৎ আরো বেশি অবাক হয়ে গেলাম মেয়েটাকে চিনতে পারে। মেয়েটা পাশের বিল্ডিং সাথী আপু।
দেখি সাথী আপু কানতেসে। হটাৎ ভিডিও বন্ধ হয়ে গেল।
আমি ভাইয়ার মোবাইলে থেকে বাসার কম্পিউটার এ ভিডিও তা নিয়ে রাখলাম ।

এরপর থেকে প্রতিদিন বাসায় কেউ না থাকলে ওটা চালু করতাম আর নুনুটার মাথায় আঙ্গুল ঘষে ঘষে সাদা ঐটা বের করতাম।
তারপর একদিন অবিধকার করলাম যে নুনুর মাথায় আঙ্গুল না ঘষে
পুরো হাতের তালু দিয়ে নুনুটা আপ ডাউন করে পুরো নুনুতে মজা পাওয়া যায় আর বেশি আরাম লাগে। আর তখন আর বেশি সাদা তরল বের হতো । প্রতিদিন ভিডিও তা দেখে দেখে ভাবতাম কবে আমিও ভাইয়ার মতো এভাবে ধাক্কাতে পারবো কোনো মেয়েকে কারণ ভাইয়া যেভাবে কোর্টেসিল বুঝছিলম যে ভাইয়া অনেক আরাম পাচ্ছে। সুযোগ তা হটাৎ এ চলে আসলো।

আরো খবর  বিধবা বাড়িওয়ালীর ফুলশয্যা – ৪

একদিন বাসায় কেউ ছিলোনা আমি বরাবরের মতো নুনুতে হাত ঘোষতেছি।
হটাৎ বুয়া দরজা খুলে ফেললো। আমি ভয় এ চেয়ার থেকে লাফিয়ে সরে গেলাম। বুয়া আমার এই কাজ দেখে আর আমার নুনুর দিকে অবাক হয়ে তাকায়ে থাকলো।
বুয়ার নিজৰ পড়লো কম্পিউটার এর দিকে আর বুয়া চিল্লায় উঠলো আরেঃ এত আমগো মামুন ( ভাইর নাম)। আমি খুব ভয় পেয়ে গেলাম যে বুয়া ভাইয়াকে বলে দিবে। আমি বুয়া কে বললাম বুয়া তুমি ভাইয়াকে বৈলনা কিছু আমি মাফ চাই ।

দেখি বুয়া আমার দিকে খেয়াল না করে ভিডিও তা দেখতেসে। আর ঠোট কামড়াচ্ছে।
বুয়ার নামে ছিল হেনা। যতটুক জানতাম বুয়ার স্বামী মোড়ে গেসিল আর বুয়া ওর ছেলে কে নিয়ে থাকতো । বুঝতেসিলম না কি হচ্ছে হটাৎ সরল মনে বলে উঠলাম বুয়া তোমারও কি গরম লাগতেসে ? বলেই চুপ করে গেলাম। বুয়া এই কথা শুনে আমার দিকে তাকালো। আর খুব মনোযোগ দিয়ে আমার নুনুটার দিকে তাকায় রইলো।

এই দেখে আমার খুব লজ্জা লাগতেসিল । বুয়া বললো নিফুন এইগুলো কি পয়লা ভাই। আমি বুয়া কে সব বললাম। বুয়া দেখি নিজের ঠোঠ কামরায় দাড়ায়ে আসে।

হটাৎ বলে উঠলো তোমার ভাই কে বইলা দিব যে তুমি এইসব করতেসে ?
আমি ভয় এ বুয়া কে জড়ায় ধরলাম আর বললাম না না বুয়া এমন কৈরণা ।
আমি বয়সের তুলনায় একটু বেশি বোরো তাই বুয়ার কাঁধে যায় মাথা ঠেকলো আমার।

হটাৎ বুয়া বলে উঠলো তাইলে আমি যেটা বলবো যত করব তাইলে বলবনা।
আমি বললাম হয়ে বলো কি করবো।
বুয়া ভিডিও এর দিকে আঙ্গুল দিয়ে বললো এইটা

চলবে…