আমি ও নাদুস নুদুস প্রিয়া – ১

নমস্কার বন্ধুরা,
আমার নাম মৌ, আমি বিধবা বয়স ৩৬, আমার এক ছেলে আছে বয়স ৬। আমি আর ছেলে আমার বাপের বাড়ি থাকি আমার বয়স্ক মার সাথে। আমি মেয়েদের কে ব্যায়াম আর যোগাসন শেখাই।

আমার ছেলের স্কুলের পড়াশুনার জন্য একজন টিচারের খজ করছিলাম, ছোট ছেলে তাই চাইছিলাম এমন কেউ যে সব বিষয় পড়িয়ে দেবে এবং খুব বেশি ফিস নেবে না। ছেলের স্কুলের এক বন্ধুর মা শিল্পাদি আমাকে বলল একটা মেয়ে টিচার আছে বয়স কম কলেজ শেষ করেছে সবে তাই টাকাও কম নেই আর পড়ায় ভাল। তা আমি সেই টিচারের ফোন নম্বর নিলাম আর তাকে ফোন করলাম।

আমিঃ হ্যালো আপনি প্রিয়া (টিচারের নাম) মিস বলছেন, আপনার ফোন নম্বর টা আমাকে শিল্পা দি দিল। ওনার ছেলে কে তো আপনি পড়াতেন। আমি আমার ছেলেকে পড়ানর জন্য ফোন করেছিলাম।

প্রিয়াঃ আচ্ছা, আপনার ছেলে কোন ক্লাসে পরে, আর আপনার বাড়ি কোথায়?

আমিঃ ও ক্লাস ওয়ান এ পরে আর আমাদের বাড়ি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দোকান তার উল্টো দিকে একটা গলি ঢুকছে তার শেষ বাড়ি টা একতলা পুরনো বাড়ি। আপনার বাড়ি তো বেশি দূর না শিল্পা দি বলল।

প্রিয়াঃ হ্যাঁ খুব দূর না হেটে আসা যাবে। ক্লাস ওয়ান, নিশ্চয় সব বিষয় পরবে তাহলে তিন দিন পরাতে হবে সপ্তাহে ঠিক আছে।

আমিঃ হ্যাঁ আপনি যা ভাল বুঝবেন। আর বলছিলাম আপনার ফিস টা কত?

প্রিয়াঃ আমার ফিস ৫০০ টাকা প্রতি মাসে। আর মাসের ৫ তারিখের মধ্যে আমার ফিস টা দিলে ভাল হয়।

আমিঃ হ্যাঁ নিশ্চয়, আপনি রাজি হলেন এই অনেক আমি চিন্তায় ছিলাম ছেলের টিচার নিয়ে। আপনি তাড়াতাড়ি শুরু করে দিলে খুব ভাল হয়।

প্রিয়াঃ ঠিক আছে আমি কাল সন্ধে ৬ তার সময় আসব।

আমিঃ অনেক ধন্যবাদ কাল আসতে কোন অসুবিধা হলে আমাকে ফোন করবেন।

ছেলের টিচার এর চিন্তা টা মিটল, কাল যোগা ক্লাস টা নিয়ে ৬ টার মধ্যে চলে আসব। পরের দিন সারে পাঁচটায় বাড়ি চলে এলাম, নিজে ফ্রেস হয়ে ছেলে কে ফ্রেস করিয়ে ঘড়টা একটু গুছিয়ে নিলাম, ঠিক ৬ টা ৫ এ ঘড়ের গ্রিলে আওয়াজ বেরিয়ে দেখলাম কম বয়সী একজন মেয়ে, বুঝে গেলাম এটাই প্রিয়া।

আরো খবর  মুক্তির হাতছানি পর্ব – ৩

আমিঃ আসুন প্রিয়া মিস, আপনার আস্তে অসুবিধা হয়নি ত?

প্রিয়াঃ না না কোন অসুবিধা হয়নি।

আমি প্রিয়া কে ছেলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলাম, তারপর দু একতা কথা বলে সে ছেলে কে পরানো শুরু করল। আমি কিছুক্ষণ পর চা আর কিছু জলখাবার করে দিলাম। প্রিয়া খুব যত্ন করে পরায় এবং ছেলে ও মন দিয়ে পরছে খুব, প্রায় ৭ তা ৪০ নাগাদ পরানো শেষ হল। যাওয়ার সময় প্রিয়া বলল আবার সে পরশু আসবে এক সময়। ছেলে কে অনেক হোম ওয়ার্ক দিয়েছে, নতুন মিস এর হোম ওয়ার্ক আর পড়া করতে করতে মাঝের দিন কাঁটালো ছেলে। আমিও নিজের কাজ আর ফাকে ফাকে ছেলের পড়া কদ্দুর হল দেখে নিলাম।

ঠিক ৬ টায় প্রিয়া এল, আমি বললাম মিস আপনার ছাত্র পরতে বসতে রেডি, আমি নিজে দেখে আপনার সব পড়া করিয়েছি।
প্রিয়াঃ হ্যাঁ ও তো ভাল ছেলে। আপনি শুধু শুধু ওকে দুষ্টু বলেন। আর হ্যাঁ দিদি আপনি আমাকে তুমি বল, আপনি বলতে হবে না।

আমিও রাজি হয়ে গেলাম এমনিতেও বয়স কম আমার ও আপনি বলতে কেমন একতা লাগত। আমিও বললাম আমাকেও তুমি বলতে। আজ প্রিয়া একতা হাঁটু সমান স্কার্ট আর টপ পরে এসেছিল। আগেরদিন নানান চিন্তায় ওতটা খেয়াল করিনি আজ নজরে এল যে প্রিয়া দেখতে ত সুন্দর ই তার উপর শরীর টা বেশ নাদুস নুদুস। বুক, পাছা বেশ ভারি। হাল্কা পেটে মেদ আছে, পা গুলো গোদা গোদা তবে ফরসা। মনে মনে ভাবলাম বয় ফ্রেন্ড কে ভালই সুখ দেয়।

যাক গে এভাবে প্রিয়ার পরানো চলল। ও যে বেশ ভাল পরায় সেতো বললাম ই, আর মাঝে মধ্যে একটু ছোট পোশাক পড়ে আসত তাই আমার ও ওকে ওভাবে দেখতে বেস ভাল লাগত। প্রায় দের মাস হয়ে গেল প্রিয়ার পরানর। আমি ত খুব খুশি কারন ছেলে পড়াশুনা মন দিয়ে করছে আর স্কুলের সাপ্তাহিক পরীক্ষাতে ভাল ফল করছে। একদিন ওর পরানো শেষ করে বেরোবে বাড়ি থেকে তখন ই বৃষ্টি নাম্ল খুব।

আরো খবর  আমার ব্যাভিচারী পরিবারের দলগত যৌনকর্ম – ১

আমিঃ প্রিয়া দারিয়ে যাও জা বৃষ্টি পরছে ছাতা থাক্লেও ভিজে যাবে, একটু বৃষ্টি কমুক তারপর আমার ছাতা তা নিয়ে বাড়ি যেও।

প্রিয়া আবার ঘড়ে ঢুকে গেল আর আমরা এদিক ওদিক কার গল্প শুরু করলাম। প্রিয়া তো জানে যে আমি মেয়েদের ব্যায়াম শেখাই ও বলল,
প্রিয়াঃ দিদি আমি না খুব মোটা হয়ে যাচ্ছি , ভাবছি ব্যায়াম শুরু করব নয়ত আর মোটা হয়ে জাব।

আমিঃ নানা কোথায় এমন মোটা তুমি হ্যাঁ একটু মেদ হয়েছে সে ব্যায়াম ত অবশ্যই করতে পার শরীর ফিট রাখার জন্য। ( মনে মনে ভাবলাম, হ্যাঁ যা গতর হয়েছে সামনে দুটো চাল কুমড়ো আর পেছনে একটা তানপুরার ভার নিয়ে সবসময় চলাফেরা করতে হয়।)

প্রিয়াঃ দিদি তুমি যেখানে ব্যায়াম শেখাও সেখানে কত টাকা নেয় গো মাসে?

আমিঃ ওটা তো একটু দামি হবে, মেয়েদের ব্যায়াম শেখানর সব জায়গা তেই বেস অনেক টাকা ফিস নেই।

প্রিয়াঃ ওঃ ধুর তাহলে কি করা যায় আর…

আমিঃ এক কাজ করতে পার, যদি তুমি আমার কাছে শিখতে চাও তাহলে ছেলেকে পরানোর পর আমরা আমার দোতালার শিরির ঘড়ের সাথে লাগোয়া ঘর টা তে করতে পারি। ২-৩ জন মাঝ বয়সি মহিলা সকাল বেলা আসে আমার বাড়ি ব্যায়াম করতে তাই উপরের ঘরটা আমি সেই কাজেই ব্যবহার করি আর টুকটাক ব্যায়ামের সামগ্রিও আছে।

প্রিয়াঃ ওঃ তাই নাকি, তাহলে তো বেশ ভাল, এই কিন্তু তমাকে কত ফিস দিতে হবে?

আমিঃ তুমি আমার ছেলেকে এত যত্ন করে পড়াও, তোমাকে তো অতো বেশি ফিসও দি না, তাই তোমাকে কিছু দিতে হবে না প্রিয়া, তবে হ্যাঁ, তুমি যেমন খুব কড়া টিচার, আমিও কিন্তু ব্যায়ামের ব্যাপারে কড়া, আমার কথা মত ব্যায়াম করতে হবে, কিছুদিন করে আর করব না বললে চলবে না কিন্তু।

প্রিয়াঃ না না একদম না, তাহলে কবে থেকে শুরু করবে?

আমিঃ ওমা কবে থেকে কি, পরশু তো আসবে পরাতে সেদিন থেকে ই হবে, দেরি করে কি লাভ, আজ একটু আগে বললে আজ ই শুরু করে তোমার এক কেজি কমিয়ে দিতাম, হাহাহাহাহাহ..

Pages: 1 2 3 4