সৎ মাকে পেট বাধানোর দায়িত্ব যখন ছেলের – ১

মা হয়তো আমার হাবভাব বুঝে ফেলেছে।মা বললো দেখ তোর বাবা তিনদিন পরেই চলে আসবে এর মাঝেই আমাদের কাজ শুরু করে দিতে হবে। আমি মার দিকে এই প্রথম অন্য দৃষ্টিতে তাকালাম। মা সুতির একটা সুন্দর গোলাপী ফুলের কাজ করা সালোয়ার হাটু পর্যন্ত লম্বা আর নিচে একটা কালো পেটিকোট পরা আছে। বুক দুটো বড়ো মনে হলেও ওড়নার কারণে বুঝা যাচ্ছে না ভালোমতো।

মা আমাকে এভাবে তাকাতে দেখেই এক চিলতে হাসি দিয়ে রাতে তার রুমে ঘুমাতে আসতে। আমি মাথা নিচু করে ছিলাম লজ্জাই। আমি কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না কি করবো আমার পরহেজগার মা যেসব কথা বললো তাতে আমার ঘুম হারাম। আমি রাতে মার রুমে উঁকি দিতেই দেখি মা বিছানায় শুয়ে শুয়ে বই পড়ছে কোনো একটা ধর্মীয়।

মা আমার দিকে তাকিয়ে বললো “দেখ আমরা যা করছি তা মহাপাপ এবং নিষিদ্ধ সমাজের চোখে।কিন্তু যে পরিস্থিতিতে আমি আছি তাতে অনেক চিন্তা করে দেখেছি এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে অনেকবার মাফ চেয়ে নিয়েছি।তিনি হয়তো বুঝবেন এই আশাই। আমাদের লক্ষ এখানে নোংরা কিছু নই। আমাকে মা হাত ধরে পাশে বসালেন বিছানায়। তুই যদি এই সাহায্য না করিস তাহলে আমার কেউ নেই বাবা।”

মার মসৃণ ফর্সা হাত গুলো আমার হাতের উপর। আমি বললাম তোমার যদি এটাই ভালো সিদ্ধান্ত মনে হয় তাহলে আমার কোনো আপত্তি নেই। মা এক চিলতে হেসে বললেম রুমের লাইটটা অফ করে ডিম লাইটটা জ্বালাতে ততক্ষণে মা বিছানার চাদরের উপর প্লাস্টিকের একটা আবরণ রেখে তার উপর শুয়ে একটা নিজের উপর একটা চাদর টেনে নিলেন।

মা যতটা সম্ভব রেখে ঢেকে বিষয়টা সারতে চাচ্ছেন বুঝলাম। আমি ডিমলাইটের আলোয় বিছানার সামনে দাঁড়িয়ে।মা বললো যেভাবে যেভাবে বলছি এভাবে আমার কথামত কাজ কর তাইলেই হয়ে যাবে। আমি হুম বললাম।

আরো খবর  দিনে বাবা রাতে ভাতার – ১

Pages: 1 2